নীড়পাতা সকল বিভাগ উপসম্পাদকীয় কাবিং কার্যক্রম ও মানসম্মত শিক্ষা

কাবিং কার্যক্রম ও মানসম্মত শিক্ষা

53
0

কাজী আরিফুর রহমান:

কাজী আরিফুর রহমান

রাষ্ট্রের অপরিহার্য অঙ্গ জনগণ, অর্থাৎ ঐ রাষ্ট্রের নাগরিক। এই নাগরিকরাই মূল চালিকা শক্তি। তাই রাষ্ট্রের উন্নয়ন নির্ভর করে এই নাগরিকদের উপর। তবে রাষ্ট্রের উন্নয়নের পূর্বশর্ত সত্যিকার সুনাগরিক। আর এজন্যই আমাদেরকে সুনাগরিকদের গড়ে তুলতে হবে। এই দায়িত্বটা বিশ্বব্যাপি স্বেচ্ছায় অত্যন্ত সফলতার সাথে পালন করে আসছে স্কাউটস। বাংলাদেশ সরকার এই গুরুত্ব উপলব্দি করেই স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই স্কাউট এর বিকাশে কাজ করে যাচ্ছে। শিশুদের মধ্যে পরোপকার, দেশাতœবোধ, শৃঙ্খলা, শিষ্টাচার ও নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করার লক্ষ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাবিং কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। শিশুর নৈতিক চরিত্র গঠনে কাবিংয়ের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বের উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ ও আঙিনা পরিষ্কার, খাবার পানি সংগ্রহ, আসন বিন্যাস, বিতর্ক প্রতিযোগিতা আয়োজন, ক্রীড়া ও সংস্কৃতিমূলক কর্মকা-ে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফুর্ত অংশগ্রহণ করে থাকে।

কাবিং কার্যক্রমের গুরুত্ব বিবেচনা করে প্রতিটি বিদ্যালয়ে কাব প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক নিয়োগের বিধান রাখা হয়েছে। বেসিক কোর্সে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করার পর কাব দল গঠন না করলে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার বিধান রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্কাউট কার্যক্রমের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করে যাচ্ছেন। স্কাউট শতাব্দি ভবন নির্মাণ ও স্কাউটিং সম্প্রসারণের জন্য ১২২ কোটি টাকার প্রকল্প চলামান আছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কাবিং সম্প্রসারণের জন্য আরেকটি প্রকল্প অচিরেই অনুমোদন দেয় হবে। জাতীয় স্কউট প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে জন্য ৯৫ একর বনভূমি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন জেলায় ও অঞ্চলে স্কাউট ভবন ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য জমি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

কাব স্কাউটিং হল একটি আন্দোলন যার কাজ আনন্দের মধ্য দিয়ে শিক্ষা দান। এর মাধ্যমে একজন ছেলে বা মেয়ে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠে। কাবিং এর মধ্যে লুকিয়ে থাকে অপার আনন্দ যার স্বাদ নিতে হলে যোগদান করতে হবে এই আন্দোলনে।
একজন কাব একজন স্কাউটারও। তবে পুরোপুরি স্কাউট হবার বয়স না হওয়ায় তারা শিশু স্কাউট অর্থাৎ কাব-স্কাউট। স্কাউটিং একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা। এর জন্ম ১৯০৭ সালে। বৃটিশ নাগরিক লর্ড ব্যাডেন পাওয়েল এই স্কাউট আন্দোলন শুরু করেন। তিনি ছিলেন বৃটিশ সেনাবাহিনীর একজন অবসরপ্রাপ্ত ল্যাফটেনেন্ট জেনারেল। বর্তমান পৃথিবীতে ১০০ কোটিরও অধিক স্কাউট ও গাইড বিভিন্ন স্কাউটিং সমিতির প্রতিনিধিত্ব করছে।

আমাদের দেশে কাবিং কার্যক্রম সেই বৃটিশ শাসন আমল থেকেই চলে আসছে। ১৯১৪ সালে এদেশে স্কাউট এসোসিয়েশনের বৃটিশ ভারতীয় শাখার অংশ হিসেবে স্কাউট কার্যক্রম শুরু হয়। তার পরে পাকিস্তান শাসনামলে বয় স্কাউট এসোসিয়েশেনের অংশ হিসেবে স্বাধীনতার পূর্ব পর্যন্ত এখানে স্কাউটিং কার্যক্রম বলে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ স্কাউট এসোসিয়েশন নামে জাতীয় পর্যায়ে স্কাউটিংয়ের সংগঠন গড়ে উঠে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু সুযোগ্য নেতৃত্বে যুদ্ধবিদ্ধস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠনের পাশাপাশি স্কাউটিংও সমান গুরুত্ব পায়। ১৯৭২ সালের ৮-৯ এপ্রিল সারাদেশের স্কাউট নেতৃবৃন্দ ঢাকায় এক সভায় মিলিত হয়ে গঠন করেন বাংলাদেশ স্কাউট সমিতি। ঐ বছরের ৯ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতির ১১১ নং অধ্যাদেশ বলে উক্ত সমিতি সরকারি স্বীকৃতি লাভ করে। এর আগে প্রবীণ স্কাউটার সলিমুল্লহ ফাহিমীর নেতৃত্বে ২২ মে ১৯৪৮ সালে ঢাকায় গঠিত হয়েছিল ইস্ট বেঙ্গল স্কউট এসোসয়েশন। বিশ্ব স্কাউট সংস্থা ১৯৭৪ সালের ১ জুন বাংলাদেশ স্কাউট সমিতিকে ১০৫তম সদস্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। পরবর্তীতে পঞ্চম জাতীয় কাউন্সল সভায় সমিতির নাম বদলে রাখা হয় বাংলাদেশ স্কাউটস। এছাড়া ১৯৯৪ সালে মেয়েদের জন্য গার্ল-ইন-স্কাউটিং চালু করে বাংলাদেশ।১৯৯৫ ও ১৯৯৬ সালে গ্রহণ করা হয় স্ট্রাটেজিক প্লান-২০১৩। এ প্ল্যানে স্কাউটদের শুধু সংখ্যাবৃদ্ধিকে নয়, গুণগত মান অর্জনেরও প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখা হয়। ৬টি অগ্রাধিকার ভিত্তিক কার্যক্রম বাস্তবায়েনের লক্ষ্যে ভলেন্টিয়ার লিডার ও স্কাউটবৃন্দের সমন্বিতভাবে ২০২১ সালের মধ্যে ২১ লক্ষ স্কাউট তৈরির চেষ্টা শুরু করেন। এর ফলশ্রুতিতে ২০১৭ সেেলর মধ্যে স্কাউটের সংখ্যা ১৬,৮২,৭৬৫১ এ পৌছেছে। যা বাংলাদেশেকে বিশ্ব স্কাউট সংস্থায় ৫ম রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। বাংলাদেশ সরাকার স্কাউটস অগ্রাধিকার কার্যক্রমগুলি বাস্তাবয়নের লক্ষ্যে ২০টি উচ্চপর্যায়ের জাতীয় কমিটি গঠন করেছে যেগুলির সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন বিশিষ্ট অভিজ্ঞ স্কাউটারগণ।

বাংলাদেশ স্কাউটসের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী পরিষদ হচ্ছে জাতীয় স্কাউট কাউন্সিল। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও চিফ স্কাউট এ কাউন্সিলের প্রধান। স্কাউট জাতীয় কাউন্সিলের সভা প্রতিবছর সদর দফতরে আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে । তবে প্রতি তৃতীয় বছরের সভায় প্রধান জাতীয় কমিশনার ও জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যান্য সদস্য নির্বাচিত হয়ে থাকেন।

প্রধান জতীয় কমিশনার হচ্ছেন বাংলাদেশ স্কাউটসের প্রধান নির্বাহী। এ পর্যন্ত ৬ জন এ পদে নির্বাচিত হয়েছেন। প্রধান জাতীয় কমিশনারকে সহায়তা দেয়ার জন্য রয়েছেন স্বেচ্ছাসেবী, ২০ জন জাতীয় কমিশনার এবং ৪০ জন জাতীয় উপ-কমিশনার। দেশব্যাপি স্কাউট আন্দোলনের সার্বিক উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে পেশাগতভাবে প্রশিক্ষত প্রায় ৬৯ জন স্কাউট এক্সিকিউটিভ রয়েছেন। দেশব্যাপি সাংগঠনিক ও প্রশাসনিক অবাকাঠামো সুষ্ঠ পরিচালনার লক্ষ্যে বাংলাদেশ স্কাউট ১৩টি অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে। বিভাগীয় পর্যায়ে ৯টি এবং শিক্ষা বোর্ডভিত্তিক এবং রোভার রেলওয়ে নৌ এবং এয়ার এই বিশেষ অঞ্চল ৪টির দফতর ঢাকায় অবস্থিত।

বাংলাদেশ স্কাউট আন্দোলন প্রধানত তিনটি শাখায় বিভক্ত। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৬ থেকে ১০+ বয়সী শিশুদের কাব স্কাউট, স্কুল ও মাদ্রাসার ১১ থেকে ১৬+ বয়সী বালক-বালিকাদের স্কাউট এবং কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭-২৫ বয়সী যুবক রোভার স্কাউট বলে। তবে রেলওয়ে, নৌ এবং এয়ার অঞ্চলের চাকরিজীবিদের জন্য ৩০ বছর পর্যন্ত বয়স নির্ধারণ করা হয়েছে।*
স্কউট কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচলনার জন্য বাংলাদেশ স্কাউটদের রয়েছে প্রায় ৩০ টির মতো প্রকাশনা। এগুলি অবশ্য ব্যাডেন পাওয়েলের বিভিন্ন লেখার উপর ভিত্তি করেই রচিত। এর মধ্যে উল্লেখয়োগ্য হচ্ছে, পি.আর,ও , কাবস্কাউট হ্যান্ডবুক, ট্রেইনিং ম্যানুয়্যাল, প্রোগ্রাম বই, স্কাউট রেকর্ড, প্যাট্রেল লিডার্স হ্যান্ডবুক এবং প্রোগ্রাম বুলেটিন ইত্যাদি। এছাড়া বাংলাদেশ স্কাউটস রোভার অঞ্চল বিপির লেখা “রোভারিং টু সাকসেস” বইটি অনুবাদসহ প্রায় ডজন খানেক বই প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশ স্কাউটসের “অগ্রদূত” নামে একটি মাসিক পত্রিকা নিয়মিত প্রকাশিহ হচ্ছে, যা সম্প্রতি ৫৭তম বর্ষে পদার্পণ করেছে। বাংলাদেশ টেলিভিশনে স্কাউটদের দ্বারা এবং স্কাউটদের জন্য অগ্রদূত নামে একটি অনুষ্ঠানও প্রতিমাসে ২ বার নিয়মিত সম্প্রচারিত হচ্ছে।
দীক্ষাদান অনুষ্ঠান একজন নবাগতের জন্য কাব জীবনের প্রবেশদ্বার। নবাগত হিসেবে একজন বালক/বালিকা সদস্য ব্যাজের বিষয়ে তিন মাস প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর সে কাবিং এর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে কাব প্রতিজ্ঞা ও আইন তার দৈনন্দিন জীবনে বাস্তবায়নে অভ্যস্ত হয়ে পড়লেই দীক্ষা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাকে আনুষ্ঠানিক ভাবে বিশ্ব স্কাউট আন্দোলনের একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবে বরণ কের নেওয়া হয় । আনুষ্ঠানিকভাবে দীক্ষা গ্রহণের পূর্ব মূহুর্ত পর্যন্ত কোন নবাগত স্কাউট ব্যাজ পরতে পারেনা এবং নিেেজকে একজন কাব হিসেবে দাবি করতে পারেনা।

একজন কাবের মধ্যে ১৪টি গুণাবলি বিদ্যমান থাকে। এগুলো হলোঃ কাব নিরাপত্তা, কাবদের মঙ্গলাকাঙ্খা, সতর্কতা, ঐকান্তিকতা, কুসংস্কারমুক্ত, দুঃসাধ্য সম্পাদনে সাহস, উৎসাহ ও রহস্যপ্রিয়তা ,কাব-স্কাউটের উপর আস্থা, সৌজন্যবোধ, সদিচ্ছা, কর্মতৎপরতা, সম্পর্কোন্নয়ন, কাব-স্কাউট প্রশিক্ষণ গ্রহণ, কঠিন কাজ করার সাহস।

কাব আইনঃ
১। বড়দের কথা মেনে চলা।
২। নিজেদের খেয়ালে কিছু না করা।
কাব আইন দুইটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় কাবিং এর সাথে সম্পৃক্ত শিক্ষার্থীরা ছোট থেকেই বড়দের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভক্তি করা অভ্যাস গড়ে তোলতে পারে এবং তারা মড়নগড়া কিছু করা থেকে বিরত থাকে। এসব সামাজিক গুণাবলী অর্জনের মাধ্যমে নিজেকে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলতে পারে। কাবিং এর মটো বা মূলমন্ত্র হচ্ছে, “যথাসাধ্য চেষ্টা করা”। এই মটো বা মূলমন্ত্রের প্রবক্তা হলেন রবার্ট স্টেবেনসন লর্ড বেডেন পাওয়েল অব গিলওয়েল।
কাবিং কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত শিক্ষার্থীদের বৈশিষ্টঃ
১। কাব সদা জাগ্রত।
২। কাব শিক্ষার্থী পরোপকারে সচেষ্ট।
৩। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন জীবন যাপনে সচেষ্ট।
৪। কাব শিক্ষার্থী অধ্যবসায়ী ও পরিশ্রমী।
৫। যে কোন প্রতিকুল পরিস্থিতিতে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে অভ্যস্থ।
৬। মানসম্মত শিক্ষা বাস্তাবয়নে শিক্ষার্থীরা সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।
কাব স্কাউটিংয়ে অসামান্য কৃতিত্ব অর্জন করেছে সীমান্তবর্তী সমৃদ্ধ জনপদ সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলা। এই উপজেলায় মোট ১৫০ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিটিতে অন্তত একটি করে এবং কোন বিদ্যালয়ে একাধিক দলসহ মোট ১৫৬ টি কাব দল রয়েছে।* এসব বিদ্যালয়ে চৌকশ শিক্ষাথীরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য কৃতিত্ব অর্জন করেছে। ২০১৫ ও ২০১৬ সালে এই উপজেলার ২ জন শিক্ষার্থী জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক এ শ্রেষ্ঠ কাব শিক্ষার্থী ক্যাটাগরীতে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছে।*
এছাড়াও অত্র উপজেলার কাব প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকদের মধ্যে ২৯ জন উড ব্যাজ জাওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেছেন। এ্যাডভান্স, স্কীল কোর্স সম্পন্নকারী শিক্ষকগণ এ উপজেলার কাবিং কার্যক্রমকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়াও অত্র উপজেলার মোট ৪৯ জন শিক্ষার্থী কাব শাখার সর্বোচ্চ এ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন যা একজন কাবের জন্য সর্বোচ্চ এ্যাওয়ার্ড।*
‘কাবিং করি সুশৃঙ্খল ও সমৃদ্ধ জীবন গড়ি’ এ বিষয়টি নিশ্চিত করার লক্ষে এগিয়ে যাচ্ছে এ উপজেলার কাবিং কার্যক্রম। এর সফল বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার লক্ষে উপজেলা প্রশাসন সার্বিকভাবে সহাযোগিতা করে যাচ্ছে। বর্তমান সরকার বাংলাদেশকে ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালে উন্নত দেশের কাতারে সামিল করার লক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর গতিশীল নেতৃত্বে কাজ করে যাচ্ছে। আর সরকারের প্রচেষ্টাকে সফলতার শীর্ষে পৌছে দিতে কাবিং অনন্য ভূমিকা পালন করছে। আসুন সকলে মিলে কাবিং কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করি এবং সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে ভূমিকা রাখি।

লিখেছেন:

কাজী আরিফুর রহমান
উপজেলা নির্বহী অফিসার
বিয়ানীবাজার, সিলেট।

তথ্য সূত্রঃ
*১।www.scouts.gov.bd

*২,৩। উপজেলা শিক্ষা অফিস, বিয়ানীবাজার, সিলেট।

রিপ্লাই করুন

অনুগ্রহ করে আপনার মন্তব্য লিখুন
অনুগ্রহ করে আপনার নাম লিখুন