নীড়পাতা সকল বিভাগ উপসম্পাদকীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে “মিড-ডে মিল” কার্যক্রম

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে “মিড-ডে মিল” কার্যক্রম

149
0

কাজী আরিফুর রহমান:


আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। সুখী, সমৃদ্ধ, অসাম্প্রদায়িক, ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য আমাদের প্রয়োজন সুস্থ, শিক্ষিত ও স্বাস্থ্যবান প্রজন্ম। কথায় আছে সুস্থ দেহে সুস্থ মন। সুস্থ দেহ ও সুস্থ মানের সমন্বয়েই পারে স্বাস্থ্যবান ও শিক্ষিত প্রজন্ম গড়ে তুলতে। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ গঠন এবং উন্নয়নের ধারাকে টেকসই করতে বর্তমান প্রজন্মকে যোগ্য করে গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে আমাদের শিশুদের বিশ্বনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। আর এ জন্য তাদেরকে প্রাথমিকে থাকাকালিন সময় থেকেই পরিচর্যা শুরু করতে হবে। কারণ শিক্ষা যদি হয় জাতির মেরুদ- তবে প্রাথমিক হলো সেই শিক্ষার মেরুদ-। একজন শিক্ষার্থী যেভাবে একটি জাতির স্তম্ভ সেইভাবে প্রাথমিক শিক্ষাও। আর তাই প্রাথমিক শিক্ষার গুরুত্ব অনুধাবন করে বর্তমান সরকার নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশের প্রতিটি অঞ্চলের শিক্ষানুরাগীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন যে, সুবিধাবঞ্চিত এলাকার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলাতে ‘মিড-ডে মিল’ চালু করার জন্য। তিনি বিত্তবানদের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে স্থানীয়দের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে বলেছিলেন যে, সবার সংশ্লিষ্টতায় গ্রামে গ্রামে ‘মিড-ডে মিল’ চালু করা হোক। স্কুলে স্কুলে রান্না হবে। এতে একবেলা খাওয়ার সুযোগ পাবে শিক্ষার্থীরা। প্রধানমন্ত্রীর এই যুগোপযোগী আহ্বানে ব্যাপক সাড়া মেলে। বর্তমানে স্থানীয়দের সহায়তায় সারা দেশের বিদ্যালয়গুলোতে ‘মিড-ডে মিল’ চালু হয়েছে। এতে একদিকে যেমন তাদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত হচ্ছে, পাশাপাশি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়া রোধেও এটি কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

‘মিড-ডে মিল’ হচ্ছে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য দুপুর বেলা খাবারের ব্যবস্থা করা। এটা শেখ হাসিনা কর্তৃক গৃহীত এক মহা কর্মযজ্ঞ। আমাদের শিশুরা বাড়িতে থাকাকালিন সময়ে তিন বেলা খাবার খায়। কিন্তু তারা যখন বিদ্যালয়ে থাকে তখন অনেকেই দুপুরের খাবার খায়না। আবার কেউ কেউ বাড়ি থেকে টাকা এনে রাস্তার পাশ থেকে খাবার কিনে খায়। এটা তাদের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। তাই এই সমস্যা দূর করার জন্য সরকার প্রতিটি বিদ্যালয়ে মিড-ডে মিল চালুর জন্য জোর কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ‘মিড-ডে মিল’ শুধু স্কুলে রান্না করা খাবারকেই বুঝায়না। এর মাধ্যমে না খেয়ে থাকা বা বাইরের খাবার বন্ধ করাকেও মূলত বিবেচনায় রাখা হয়। যদি স্কুলে রান্নার ব্যবস্থা নাও হয়, দুপুরবেলা টিফিনের ব্যবস্থাকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এজন্য বিভিন্ন বিদ্যালয়ে টিফিন বক্সও বিতরণ করা হয়েছে। যার ফলে শিক্ষার্থীরা বাড়ি থেকে রান্না করা পুষ্টিকর খাবার দুপুর বেলা খেতে পারছে।

‘মিড-ডে মিল’ সরকারি এবং স্থানীয়ভাবে অর্থায়ন করা হয়ে থাকে। এ পর্যন্ত প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, জাতিসংঘ বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি এবং গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ইমপ্রুভড নিউট্রিশন- এ তিন পক্ষের উদ্যোগে সরকারি অর্থায়নে বাংলাদেশের ৯২টি উপজেলায় স্কুল ফিডিং কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে*। তবে অন্য সকল বিদ্যালয়ে স্থানীয় উদ্যোগেই ‘মিড-ডে মিল’ পরিচালিত হচ্ছে। এই মিড-ডে মিলকে শুধু একটি খাবার ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচনা করা ঠিক হবেনা। কারণ এর মাধ্যমে শিশুরা শারিরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি উদারতার এক মহান শিক্ষা পাচ্ছে। তারা এই আয়োজনের মাধ্যমে পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশের সাথে পরিচিত হয়ে যাচ্ছে। মিড-ডে মিল কার্যক্রমে অভিভাবকদের পাশাপাশি এলাকার বিত্তবান এবং সচেতনমহল জড়িয়ে আছেন। একজন অভিভাবক আর্থিকভাবে সবল বা দুর্বল সেটা কোনো ব্যাপার না, এই কাজে তিনি সমানভাবে অংশ নিতে চান। বিশেষ করে কৃষক পরিবারের জন্য এই অংশগ্রহণটা বেশ সহজ। কেউ চাল দিয়ে অংশগ্রহণ করেন, কেউ তার খেতের সবজি, কেউ তেল দিয়ে বা অন্য যেকোনো ফসল দিয়ে অংশ নিতে পারেন। এভাবে সকলেই নিজ নিজ অবস্থান থেকে অত্যন্ত আনন্দের সাথে অংশগ্রহণ করেন। এই কাজে মায়েরাও বাদ যান না। তারা মা সমাবেশের সময় তাদের মধ্য থেকে একজন রাধুঁনী নির্বাচন করেন। তিনিই অন্য মায়েদের সহযোগীতায় বাচ্চাদের জন্য দুপুরের খাবার রান্না করেন। এ এক অন্যরকম অনুভূতি। একদিকে বাচ্চারা আন্তর্জাতিক শিক্ষাপদ্ধতিতে জ্ঞানার্জনে নিবিষ্ট থাকে। অন্যদিকে স্কুল আঙিনায় চলে রান্নাবান্না। মাঝে মাঝে মায়েদের পাশাপাশি বাবাদেরকেও রান্নার কাজে সহযোগীতা করতে দেখা যায়। সবাই মিলেমিশে একবেলা খাওয়াদাওয়া করেন। এই হলো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘মিড-ডে মিল’।

‘মিড-ডে মিল’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের কৌশলঃ
ক) এস এম সি/পিটিএ/স্থানীয় ধনাঢ্য ব্যক্তিবর্গকে বিদ্যালয়ের কাজে সম্পৃক্ত করা।
খ) কার্যকর মা/অভিভাবক সমাবেশ আয়োজনের মাধ্যমে মিড-ডে মিলের গুরুত্ব সম্পর্কে অভিভাবকদের অবহিত করা।
গ) আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়/সংস্থা দৃষ্টি আকর্ষণ পূর্বক শতভাগ বিদ্যালয়ে মিড-ডে মিল কার্যকর করা।
ঘ) উপজেলা শিক্ষা বিভাগ/উপজেলা প্রশাসনকে এ কাজে সম্পৃক্ত করা।
ঙ) স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যমে এ বিষয়ে বিশেষ বুলেটিন/প্রতিবেদন প্রচার ও প্রকাশ করে সর্বস্তরের জনগণকে অবগত করা।
চ) স্থানীয় পর্যায়ে সম্পৃক্ত ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানকে উপজেলা প্রশাসন বা শিক্ষা বিভাগের মাধ্যমে ধন্যবাদ জ্ঞাপন/পুরস্কিৃত করা।
মিড-ডে মিলের সুফলঃ
ক) নিয়মিত উপস্থিতি বৃদ্ধি পায়।
খ) ঝরে পড়া উল্লেখযোগ্য হারে কমে।
গ) শিক্ষার্থীর শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিত হয়।
ঘ) ধনাঢ্য ব্যক্তিবর্গ, ঝগঈ/চঞঅ বিদ্যালয়ের কাজে অধিক হারে সম্পৃক্ত হয়।
ঙ) শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বতঃস্ফুর্তভাব পরিলক্ষিত হয়।
চ) শিক্ষার্থীরা পড়ালেখায় অধিক মনোযোগী হয়।
ছ) ভালো ফলাফল নিশ্চিত করা যায়।
আজ অত্যন্ত দুঃখের সাথে স্মরণ করতে হয় বঙ্গবন্ধু পরবর্তি বাংলাদেশ। যেখানে অন্যান্য খাতের মতো শিক্ষা খাতও ছিল অবহেলিত। বিদ্যালয়ে পড়ালেখার সুষ্ঠ পরিবেশের অস্থিত্বই ছিলনা, অগোছালো একটি বিদ্যালয়ে গতানুগতিক শিক্ষা গ্রহণের জন্য মা-বাবা শিশুদের বিদ্যালয়ে হয়তো পাঠাতো ঠিকই, শিক্ষক কি দীক্ষা দিচ্ছেন সেদিকে যেন শিশুদের ভ্রুক্ষেপই নেই। পরিবেশ, প্রতিবেশই তাদের বাধ্য করত শিক্ষার আলো থেকে দূরে থাকতে। মলিন জামা আর রোগা শরীর নিয়ে তারা বিদ্যালয়ের বেঞ্চে এসে বসত এবং শিক্ষকের পড়ার প্রতি হাঁ করে তাকিয়ে থাকত বটে, মগজের ভিতরে কিছু ঢুকত কিনা তা নিয়ে তাদের ভাববার সুযোগ নেই। আর থাকবেই বা কি করে, সে যে এমনিতেই আধপেটা বা অনাহারি অবস্থায় স্কুলে আসে। এখানে এসেও ঘন্টার পর ঘন্টা সময় পার করতে হচ্ছে একইভাবে। ক্ষুদার রাজ্যে যেখানে পৃথিবী গদ্যময়, সেখানে বিদ্যালয়ে পড়াশোনার মতো বিরক্তিকর বিষয়ে মন দেয়ার কোনো দরকার ছিলই না। অনেকেই আবার বিদ্যালয়ের এমন একঘেয়েমির বেড়াজাল থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য বিদ্যালয় থেকে পালিয়েও যেত। যদিও একটু সচ্চল অভিভাবকরা ছেলেমেয়েদের কিন্ডার গার্টেনে পাঠানোর ব্যবস্থা করতেন। তবে বেশির ভাগের পক্ষে তা সম্ভব হতো না। যার ফলে শুধু একটি ছাত্র নয় গোটা জাতি হিসেবে আমরা বিশ্ব দরবারে পিছিয়ে যাচ্ছিলাম। কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ট নেতৃত্বে আজ আর সেই দিন নেই। এখন প্রতিটি বিদ্যালয় শিশুদের কাছে স্বপ্নময়। বাচ্চাদের কাছে বিদ্যালয় অত্যন্ত পছন্দের একটি জায়গা। ‘স্বপ্নের স্কুল’ কার্যক্রম, ‘স্কুল গার্ডেনিং’, ‘মিড-ডে মিল’ বা অন্যান্য যুগোপযোগী কাজগুলো হাতে নেওয়ায় বিদ্যালয়গুলো তার আসল চেহারায় ফিরে এসেছে।
আমাদের দেশের প্রায় ৭০% মানুষ গ্রামে বাস করে। এখানকার বেশির ভাগ সন্তানেরা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে। আবার এক হিসেবমতে শহর এবং গ্রামে প্রায় ৮০% শিক্ষার্থী সরকারি খরচে বিদ্যালয় কর্তৃক পড়তে হয়। এর মাঝে ৩য় থেকে ৫ম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত অধিকাংশেরই মেধার যথাযথ বিকাশ ঘটতো না। অধিকাংশ বাচ্চাই দুপুরের সময়টাতে না খেয়ে থাকার কারণে অপুষ্টির শিকারসহ শারীরিক, মানসিক ও মেধার মারাত্মক বিঘœ ঘটতো। এতে তারা স্বাভাবিক পড়ালেখা চালিয়ে যেতে পারতনা। তাই এক সময় স্কুল থেকে ঝরে পড়ত অথবা কোনোরকমে চালিয়ে গেলেও বেশি দূর এগোতো না। মিড-ডে মিল পদ্ধতি শিশুর শারীরিক, মানসিক বিকাশসহ সামগ্রিক বিকাশের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। মিড-ডে মিল শিশুদের সৃজনশীল ও মননশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি তাদের শুদ্ধাচার বিষয়েও অত্যন্ত ইতিবাচক ফল দিচ্ছে।

মিড-ডে মিল প্রবর্তনের ক্ষেত্রে অগ্রগণ্য প্রতিবেশী দেশ ভারত। গত অর্থবছরে বেসরকারি খাত ছাড়াই সরকার ২০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি খরচ করে । তাছাড়া ঋঅঙ, টঘওঈঊঋ, ঈঅজঊ, ডঋচ বছরে ২৩ মার্কিন ডলারের বেশি অর্থ ব্যয় করছে ভারতে মিড-ডে মিল চালু রাখতে। ভারত তাদের ১২তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় মিড-ডে মিল কার্যক্রমের জন্য ৯০১.৫৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বরাদ্দ রেখেছে।* কিন্তু আমাদের প্রেক্ষাপট বিবেচনা করলে দেখা যায় সরকারি/বেসরকারি অর্থায়ন ছাড়াই কেবল স্থানীয়দের সহায়তায়ই মিড-ডে মিল সফলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব।
বর্তমানে বিদ্যালয়গুলোতে মিড-ডে মিল কার্যক্রমের বেশ কিছু ইতিবাচক দিক ফটে উঠছে। এখন এর মাধ্যমে শিশুরা শারীরিক বিকাশের পাশাপাশি মানসিক বিকাশ, নান্দনিক ও সৃজনশীল মননশীলতা গড়ে তোলার জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে আরও বেশ কিছু কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। তাদের শেখানো হচ্ছে কিভাবে খাওয়ার আগে বিজ্ঞানসম্মতভাবে হাত ধুতে হয়, নিয়মিত নখ কাটার অভ্যাস গড়ে তোলা, চুল কাটা, পোশাকের পরিচ্ছন্নতা, নিয়মিত দাঁত মাজা ইত্যাদি। এছাড়া বিদ্যালয়ের পরিবেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার ব্যাপরেও তাদের অভ্যস্থ করে তোলা হচ্ছে। তারা একে অপরের সাথে ভাগাভাগি করে খাবার খাওয়ার ফলে সহযোগীতার মানসিকতা তৈরি হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে নিজেদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে মিল চালু হওয়ায় অন্যের মুখাপেক্ষীতা থেকে বেরিয়ে আসার শিক্ষা পাচ্ছে। নিঃস্বার্থ কাজের আসল স্বাদ এখানেই পেয়ে যাচ্ছে। ভালো কাজের সাথে এভাবে অভ্যস্থ হওয়া তাদের ভবিষ্যতে এরকম কাজের সাথে জড়িত হওয়ার প্রেরণা যোগাবে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাচ্চারা নিষ্পাপ, যেন স্বর্গের ফুল। এক্ষেত্রে ফুলের মতো নিষ্পাপ বাচ্চাদের নিয়ে একেকটি বিদ্যালয় একেকটি স্বর্গের ফুলের বাগান হয়ে উঠেছে। এটা শুধু কল্পনা নয়, বাস্তব। এই বাচ্চারাই একদিন বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিবে, তথা ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার রূপকার হবে। তাই এদের যোগ্য, পরিচ্ছন্ন ও সুশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার নৈতিক দায়িত্ব সরকার নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছে। এ দায়িত্ব পালনে প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে ‘মিড-ডে মিল’ চালুকরণসহ সামগ্রিক মননশীলতার দিকেও জোর দেওয়া হচ্ছে। আজ আমরা দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে পারি এ শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে সৎ, যোগ্য, মননশীল, পরস্পরের প্রতি সহযোগিতাপূর্ণ মনোভাব নিয়ে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে।

কাজী আরিফুর রহমান
উপজেলা নির্বাহী অফিসার
বিয়ানীবাজার, সিলেট।
ই-মেইলঃ unobeanibazar@mopa.gov.bd
তথ্য সূত্র ঃ
*১। ইন্টারনেট।
*২। ইন্টারনেট।

রিপ্লাই করুন

অনুগ্রহ করে আপনার মন্তব্য লিখুন
অনুগ্রহ করে আপনার নাম লিখুন