নীড়পাতা সমকালীন সংবাদ বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ও আদর্শ বাস্তবায়ন করতে হবে-জাতীয় শোক দিবসের আলোচনায় শিক্ষামন্ত্রী 

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ও আদর্শ বাস্তবায়ন করতে হবে-জাতীয় শোক দিবসের আলোচনায় শিক্ষামন্ত্রী 

56
0

সম্ভাবনা ডেস্ক:

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, আমাদেরজাতির ইতিহাসে সবচেয়ে গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় হচ্ছে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ, আমাদের স্বাধীনতা। আর এ গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়ের মহানায়ক হচ্ছেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি বাঙালি জাতিকে সংগঠিত করেছিলেন, নেতৃত্ব এবং দিকনির্দেশনা দিয়েছিলেন। বাংলার মানুষের

 

মুক্তিই ছিল তাঁর জীবনের মূল লক্ষ্য ও আদর্শ। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে তিনি আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। জাতির পিতার স্বপ্ন ও আদর্শ বাস্তবায়ন করতে হবে। তাঁর আদর্শ নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে। শিক্ষামন্ত্রী আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ঢাকা মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গনে ’জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসের তা

 

ৎপর্য’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত, নিপীড়ন-শোষণমুক্ত সোনার বাংলা গড়তে চেয়েছিলেন। কিন্তু যারা তাঁর আদর্শের শত্রু ছিল, তারা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তাঁকে সপরিবারে নৃশংসভাবে হত্যা করে। মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তি পরিকল্পিতভাবে ত্াঁকে হত্যা করে। এটা ছিল ইতিহাসের জঘন্যতম হত্যাকান্ড। ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে হত্যা করতে চেয়েছিল। কিন্তু তারা সফল হয়নি। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ২০২১ সালে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে এবং ২০৪১ সালে দক্ষিণ এশিয়ায় উন্নত সুখী-সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে উন্নীত হবে। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দক্ষ জনশক্তি গড়ার লক্ষ্যে সরকার কারিগরি শিক্ষার উপর জোর দিচ্ছে। নতুন প্রজন্মকে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা দিতে পারলে দেশ এগিয়ে যাবে। শুধু বড় ডিগ্রী নিলেই হবে না। কাজের উপযোগী দক্ষতা থাকতে হবে। তিনি বলেন, বর্তমানে প্রায় শতকরা ১৫ ভাগ শিক্ষার্থী কারিগরি বিষয়ে পড়াশুনা করছে। ২০২০ সালে তা শতকরা ২০ ভাগে উন্নীত হবে।

 

কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলমগীরের সভাপতিত্বে আলোচনা অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ কে এম জাকির হোসেন ভূঞা, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অশোক কুমার বিশ্বাস, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. মোস্তাফিজুর রহমান এবং ঢাকা মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ সাহানা বেগম । অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর জীবনীর উপর একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয় এবং প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে স্কিল কম্পিটিশনে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। দোয়া মাহফিল ও দুঃস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ এর আগে শিক্ষামন্ত্রী রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড আয়োজিত স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে ১৫ই আগস্টে নিহত শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিল এবং দুঃস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন। মন্ত্রী দুঃস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করেন। কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর, অতিরিক্ত সচিব এ কে এম জাকির হোসেন ভূঞা, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অশোক কুমার বিশ্বাস এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. মোস্তাফিজুর রহমান এসময় উপস্থিত ছিলেন।

রিপ্লাই করুন

অনুগ্রহ করে আপনার মন্তব্য লিখুন
অনুগ্রহ করে আপনার নাম লিখুন