নীড়পাতা খেলাধুলা বিশ্বকাপের ১১ ভেন্যুর আদ্যোপান্ত

বিশ্বকাপের ১১ ভেন্যুর আদ্যোপান্ত

সম্ভাবনা ডেস্ক:

২০ বছর পর প্রথমবার ইংল্যান্ড আয়োজন করছে বিশ্বকাপ। লড়াই শুরু হচ্ছে ১০ দলের। ১০টি শহরের ১১টি ভেন্যুও প্রস্তুত আয়োজনের সর্বোচ্চটা দিতে। ফাইনাল ও সেমিফাইনাল সহ ৪৮ ম্যাচের লড়াইয়ের এই ভেন্যুর আদ্যোপান্ত একটু জেনে নেওয়া যাক:

দ্য ওভালদ্য ওভালশহর: লন্ডন

ভেন্যু: দ্য ওভাল

দর্শক ধারণক্ষমতা: ২৫,৫০০

ম্যাচ: ৫টি

দ্য ওভাল, ১৮৪৫ সালে উন্মুক্ত করা হয়। দক্ষিণ লন্ডনের কেনিংটনে অবস্থিত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মাঠটি সারের হোম গ্রাউন্ড। ইংল্যান্ড প্রথম আন্তর্জাতিক টেস্ট আয়োজন করে ১৮৮০ সালের সেপ্টেম্বরে, ইংলিশ মৌসুমের শেষ টেস্ট সাধারণত এখানেই খেলা হয়। এই মাঠেই হচ্ছে এবারের বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ, যেখানে ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা।

প্রথম ওয়ানডে হয়েছিল ১৯৭৩ সালে, স্বাগতিক ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সবশেষ ওয়ানডে ২০১৮ সালের ১৩ জুন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফি ফাইনাল হয়েছিল এই মাঠে। এখানে বাংলাদেশ প্রথম দুটি ম্যাচ খেলবে, ২ জুন দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এবং তিন দিন পর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। আরও দুটি ম্যাচ হবে এই মাঠে। ৯ জুন ভারত-অস্ট্রেলিয়ার এবং ১৫ জুন শ্রীলঙ্কা-অস্ট্রেলিয়া।

ট্রেন্ট ব্রিজট্রেন্ট ব্রিজশহর: নটিংহাম

ভেন্যু: ট্রেন্ট ব্রিজ

দর্শক ধারণক্ষমতা: ১৭,৫০০

ম্যাচ: ৫টি

নটিংহাম শহরের ট্রেন্ট নদী পেরিয়েই এই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মাঠ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৪১ সালে। ট্রেন্ট নদীর উপর অবস্থিত ট্রেন্ট সেতুর নাম অনুসরণ করেই এর নামকরণ হয়, এটি নটিংহ্যামশায়ারের হোম ভেন্যু। ২০০৯ সালের বিশ্ব টি-টোয়েন্টিতে ব্যবহার করা হয়েছিল এই ভেন্যু- দক্ষিণ আফ্রিকা ও পাকিস্তানের সেমিফাইনাল হয়। ১৯৭৪ সালের ৩১ আগস্ট পাকিস্তানের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের প্রথম ওয়ানডে হয় এখানে। শেষ ওয়ানডেও একই প্রতিপক্ষের মধ্যে হয়েছে, গত ১৭ মে।

৩১ মে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও পাকিস্তানের ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে এই ভেন্যুতে এবারের বিশ্বকাপ। এছাড়া ইংল্যান্ড-পাকিস্তান খেলবে ৩ জুন। অস্ট্রেলিয়া-ওয়েস্ট ইন্ডিজ মুখোমুখি হবে ৬ জুন, আর ১৩ জুন ভারত খেলবে নিউজিল্যান্ডকে। আগামী ২০ জুন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ম্যাচ দিয়ে শেষ হবে এই ভেন্যুর বিশ্বকাপ যাত্রা।

সোফিয়া গার্ডেনসসোফিয়া গার্ডেনসশহর: কার্ডিফ

ভেন্যু: সোফিয়া গার্ডেনস

দর্শক ধারণক্ষমতা: ১৫,৬৪৩

ম্যাচ: ৪টি

ওয়েলসের কার্ডিফে ক্রিকেট বল প্রথমবার মাঠে গড়ায় ১৯৬৭ সালে। নয়নাভিরাম সোফিয়া গার্ডেনস অবস্থিত টাফ নদীর পাড়ে। গ্লামোরগনের হোম গ্রাউন্ড এটি। ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের ম্যাচ দিয়ে খুলেছিল আন্তর্জাতিক ওয়ানডের দুয়ার। সবশেষ ওয়ানডে গত বছরের ১৬ জুন, স্বাগতিক ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ ছিল অস্ট্রেলিয়া।

১ জুন নিউজিল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কার ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে কার্ডিফের বিশ্বকাপ। পরের ম্যাচে আফগানিস্তান ৪ জুন খেলবে শ্রীলঙ্কাকে। সোফিয়া গার্ডেনসে পা পড়বে বাংলাদেশেরও, ৮ জুন তাদের প্রতিপক্ষ স্বাগতিক ইংল্যান্ড। এই ভেন্যুতে বিশ্বকাপের শেষ ম্যাচ হবে ১৫ জুন দক্ষিণ আফ্রিকা ও আফগানিস্তানের মধ্যে।

ব্রিস্টল কাউন্টি গ্রাউন্ডব্রিস্টল কাউন্টি গ্রাউন্ডশহর: ব্রিস্টল

ভেন্যু: ব্রিস্টল কাউন্টি গ্রাউন্ড

দর্শক ধারণক্ষমতা: ১৭,৫০০

ম্যাচ: ৩টি

ব্রিস্টল শহরের এই ভেন্যু প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৮৯ সালে। গ্লুচেস্টারশায়ারের হোম ভেন্যুতে প্রথম আন্তর্জাতিক ওয়ানডে হয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বকাপে, ১৯৮৩ সালে ১৩ জুন গ্রুপ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল নিউজিল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কা। শেষ ওয়ানডে ২০১৭ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর, ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ ছিল পাকিস্তান। গ্লুচেস্টারশায়ারের হোম গ্রাউন্ট এটি।

ব্রিস্টলে এই বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ ১ জুন, অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে আফগানিস্তানের। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা ১১ জুন এই ভেন্যুর দ্বিতীয় ম্যাচ খেলবে। ৭ জুন পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলবে শ্রীলঙ্কা।

রোজ বোলরোজ বোলশহর: সাউদাম্পটন

ভেন্যু: রোজ বোল

দর্শক ধারণক্ষমতা: ২৫,০০০

ম্যাচ: ৫টি

ইংল্যান্ডের হ্যাম্পশায়ারের ওয়েস্ট এন্ডের ক্রিকেট গ্রাউন্ড এজিস বোল। ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এটি, হ্যাম্পশায়ারের হোম গ্রাউন্ড। ২০০৩ সালের ১০ জুলাই ন্যাটওয়েস্ট সিরিজে দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ের ম্যাচ দিয়ে ওয়ানডে অভিষেক হয় এই মাঠে। গত ১১ মে ইংল্যান্ড ও পাকিস্তানের মধ্যে হয় এখানে শেষ ওয়ানডে।

দক্ষিণ আফ্রিকা ও ভারতের ম্যাচ দিয়ে ৫ জুন শুরু হবে এই মাঠের বিশ্বকাপ। ১০ জুন দক্ষিণ আফ্রিকা-ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ১৪ জুন ইংল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ২২ জুন হবে ভারত-আফগানিস্তানের ম্যাচ। বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের ২৪ জুনের ম্যাচই হবে এখানে শেষ খেলা।

টন্টন কাউন্টি গ্রাউন্ডটন্টন কাউন্টি গ্রাউন্ডশহর: টন্টন

ভেন্যু: কাউন্টি গ্রাউন্ড

দর্শক ধারণক্ষমতা: ১২,৫০০

ম্যাচ: ৩টি

সমারসেটের টন্টনে অবস্থিত এই গ্রাউন্ড। ১৮৮২ সালে প্রতিষ্ঠিত এই ভেন্যুটি সমারসেট কাউন্টি ক্লাবের ঘরের মাঠ। ১৯৮৩ সালের ১১ জুনের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কার গ্রুপ ম্যাচ দিয়ে ওয়ানডে অভিষেক হয় এর। ১৯৯৯ সালের ২৬ মে ভারত ও শ্রীলঙ্কার বিশ্বকাপ ম্যাচের পর আর কখনও ওয়ানডে হয়নি এই মাঠে। সবশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ হয়েছিল ২০১৭ সালের ২৩ জুন, টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুশি হয় ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা।

আগামী ৮ জুন আফগানিস্তান ও নিউজিল্যান্ড এই মাঠে প্রথম ম্যাচ খেলবে। ১২ জুন অস্ট্রেলিয়া ও পাকিস্তানের ম্যাচের পর ১৭ জুন ওয়েস্ট ইন্ডিজের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।

ওল্ড ট্রাফোর্ড ক্রিকেট গ্রাউন্ডওল্ড ট্রাফোর্ড ক্রিকেট গ্রাউন্ডশহর: ম্যানচেস্টার

ভেন্যু: ওল্ড ট্রাফোর্ড

দর্শক ধারণক্ষমতা: ২৬,০০০

ম্যাচ: ৬টি (সেমিফাইনাল সহ)

১৮৬৪ সালে গ্রেটার ম্যানচেস্টারের ওল্ড ট্রাফোর্ডে প্রতিষ্ঠিত হয় এই ক্রিকেট মাঠ। ল্যাঙ্কশায়ার কাউন্টি ক্লাবের হোম গ্রাউন্ড এটি। ১৯৭২ সালের ২৪ আগস্ট অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইংল্যান্ডের মধ্যে হয় প্রথম ওয়ানডে। গত বছর ২৪ জুন এই দুই প্রতিপক্ষই শেষ ওয়ানডে খেলে এখানে।

আগামী ১৬ জুন এই মাঠে হবে ভারত-পাকিস্তানের ম্যাচ। এরপর ১৯ জুন ইংল্যান্ড-আফগানিস্তান, ২২ জুন ওয়েস্ট ইন্ডিজ-নিউজিল্যান্ড, ২৭ জুন ওয়েস্ট ইন্ডিজ-ভারত, ৬ জুলাই অস্ট্রেলিয়া-দক্ষিণ আফ্রিকা লড়বে এখানে। ৯ জুলাই প্রথম সেমিফাইনালও হবে ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় প্রাচীনতম এই স্টেডিয়ামে।

এজবাস্টন ক্রিকেট গ্রাউন্ডএজবাস্টন ক্রিকেট গ্রাউন্ডশহর: বার্মিংহাম

ভেন্যু: এজবাস্টন

দর্শক ধারণক্ষমতা: ২৫,০০০

ম্যাচ: ৫টি (সেমিফাইনাল সহ)

ওয়ারউইকশায়ার কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাবের এই হোম গ্রাউন্ড প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৮২ সালে। দেশের মাটিতে প্রথম দিবারাত্রির টেস্ট হয়েছিল এই ভেন্যুতে, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের। ইংল্যান্ডের চতুর্থ বৃহৎ এই মাঠে প্রথম ওয়ানডে হয় ইংল্যান্ডের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার, ১৯৭২ সালের ২৮ আগস্ট। সবশেষ ওয়ানডে হয়েছিল ২০১৭ সালের ১৫ জুন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে।

১১ জুলাই দ্বিতীয় সেমিফাইনাল হবে এই মাঠে। ১৯ জুন নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে এই ভেন্যুর যাত্রা। এছাড়া ২৬ জুন নিউজিল্যান্ড-পাকিস্তান ও ৩০ জুন ইংল্যান্ড-ভারত লড়াই করবে। ২ জুলাই বাংলাদেশ ও ভারতের ম্যাচ দিয়ে শেষ হবে এই মাঠের লড়াই।

হেডিংলির ক্রিকেট মাঠহেডিংলির ক্রিকেট মাঠশহর: লিডস

ভেন্যু: হেডিংলি

দর্শক ধারণক্ষমতা: ১৮,৩৫০

ম্যাচ: ৪টি

লিডসের হেডিংলি স্টেডিয়াম কমপ্লেক্সে এই গ্রাউন্ড। ইয়র্কশায়ারের হোম ভেন্যু এটি। প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৯০ সালে। ১৯৭৩ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ইংল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের ম্যাচ দিয়ে ওয়ানডে অভিষেক হয় এখানে। শেষ ওয়ানডে গত বছরের ১৭ জুলাই, ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ ছিল ভারত।

২১ জুন স্বাগতিক ইংল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে হবে এই মাঠে প্রথম ম্যাচ। পাকিস্তান ও আফগানিস্তান ২৯ জুন মুখোমুখি হবে। এরপর ৪ ও ৬ জুলাই আফগানিস্তান-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও শ্রীলঙ্কা-ভারত লড়াই করবে।

ডারহাম কাউন্টির রিভারসাইড গ্রাউন্ডডারহাম কাউন্টির রিভারসাইড গ্রাউন্ডশহর: চেস্টার লি স্ট্রিট

ভেন্যু: রিভারসাইড গ্রাউন্ড

দর্শক ধারণক্ষমতা: ২০,০০০

ম্যাচ: ৩টি

কাউন্টি ডারহামের চেস্টার লি স্ট্রিটে অবস্থিত এই ভেন্যু। ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই মাঠটি ডারহাম কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাবের। চার বছর পর ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে পাকিস্তান ও স্কটল্যান্ডের ম্যাচ দিয়ে এখানে ওয়ানডে অভিষেক হয়। গত বছরের ২১ জুন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইংল্যান্ডের শেষ ওয়ানডে হয়।

২৮ ‍জুন শ্রীলঙ্কা ও দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচ হবে এখানে। এরপর ১ ও ৩ জুলাই শ্রীলঙ্কা-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড মুখোমুখি হবে।

লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডলর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডশহর: লন্ডন

ভেন্যু: লর্ডস

দর্শক ধারণক্ষমতা: ২৮,০০০

ম্যাচ: ৫টি (ফাইনাল সহ)

লর্ডস, ক্রিকেটের পুণ্যভূমি। মেরিলেবোন ক্রিকেট ক্লাবের মালিকানার এই মাঠটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮১৪ সালে। মিডলসেক্স কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাবের হোম গ্রাউন্ড এটি। বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীণ ক্রীড়া জাদুঘর এখানে। ২০১৪ সালে দুইশতবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছিল এই মাঠে। ১৯৭২ সালের ২৬ আগস্ট প্রথম ওয়ানডে হয় ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে। ইংল্যান্ড ও ভারতের সবশেষ ওয়ানডেটি ছিল গত বছরের ১৪ জুলাই।

শিরোপা কে জিতবে, তার লড়াই হবে এই ‘হোম অব ক্রিকেট’এ। আগামী ১৪ জুলাই ফাইনালের ভেন্যু এটি। এছাড়া ২৩ জুন পাকিস্তান ও দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম ম্যাচ খেলবে এখানে। এই ঐতিহাসিক মাঠে পা পড়বে বাংলাদেশেরও, ৫ জুলাই তাদের প্রতিপক্ষ পাকিস্তান। ২৫ জুন অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের লড়াইও হবে এখানে।

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন।

রিপ্লাই করুন

অনুগ্রহ করে আপনার মন্তব্য লিখুন
অনুগ্রহ করে আপনার নাম লিখুন