নীড়পাতা প্রবাসের সেতুবন্ধন লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাব নির্বাচন সম্পন্ন।। এমাদ-জুবায়ের-মুরাদ এলায়েন্সের সংখ্যা গরিষ্ঠতা।ফুলেল শুভেচ্ছা

লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাব নির্বাচন সম্পন্ন।। এমাদ-জুবায়ের-মুরাদ এলায়েন্সের সংখ্যা গরিষ্ঠতা।ফুলেল শুভেচ্ছা

21
0

সম্ভাবনা ডেস্ক:

লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের নির্বাচন-২০১৯ এ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন এমদাদুল হক চৌধুরী ও মোহাম্মদ জুবায়েরের নেতৃত্বাধীন এমাদ-জুবায়ের প্যানেল। মোট ১৫টি পদের মধ্যে প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সেক্রেটারীসহ ১০ টি পদ লাভ করেন এমাদ-জুবায়ের প্যানেল। বিপরিতে ট্রেজারার, আইটি সেক্রেটারী ও কমিউনিকেশন সেক্রেটারীসহ মোট ৫টি পদ লাভ করেছেন সৈয়দ নাহাস পাশার নেতৃত্বাধীন টিম নাহাস পাশা।

নির্বাচনে সভাপতি প্রার্থী সৈয়দ নাহাস পাশাকে ১২ ভোটের ব্যবধানে হারিয়েছেন মোহাম্মদ এমদাদুল হক চৌধুরী। সাবেক সভাপতি সৈয়দ নাহাস পাশার মোট ভোটের সংখ্যা ১৫১ এবং মোহাম্মদ ইমদাদুল হক চৌধুরীর মোট প্রাপ্ত ভোট ১৬৩। সাধারণ সম্পাদক পদে মোহাম্মদ জুবায়ের ৭৯ ভোটের ব্যবধানে আনিসুর রহমান আনিছকে হারিয়ে পুন:নির্বাচিত হয়েছেন। মোহাম্মদ জুবায়ের পেয়েছেন ১৯২ ভোট, আনিসুর রহমান আনিছ পেয়েছেন ১১৩ ভোট।

কোষাধ্যক্ষ পদে আবু সালেহ মোহাম্মদ মাসুম তার আগের অবস্থান ধরে রেখেছেন। তিনি আব্দুল কাদির চৌধুরী মুরাদকে ৯৩ ভোটের ব্যবধানে হারিয়েছেন। সাবেক কোষাধ্যক্ষ আবু সালেহ মোহাম্মদ মাসুম পেয়েছেন ২০০ ভোট, আব্দুল কাদির চৌধুরী মুরাদ পেয়েছেন ১০৭ ভোট।

এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি পদে মতিয়ুর রহমান চৌধুরী হারিয়েছেন মোহাম্মদ সোবহানকে। মতিয়ুর রহমান চৌধুরী ৫৩ ভোটের ব্যবধানে হারিয়েছেন গত বারের এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মোহাম্মদ সোবহানকে। মতিয়ুর রহমান চৌধুরীর প্রাপ্ত ভোট ১৭৮ আর মোহাম্মদ সোবহান পেয়েছেন ১২৫ ভোট।

কমিউনিকেশন সেক্রেটারি হিসেবে এম এ কাইয়ুম হারিয়েছেন জাকির হোসেন কয়েছ কে। এম এ কাইয়ুম এর প্রাপ্ত ভোট ১৬৪, জাকির হোসেন কয়েছ পেয়েছেন ১৩৯।

ট্রেনিং এন্ড রিসার্চ সেক্রেটারি হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ইব্রাহিম খলিল মাত্র ৪ ভোটের ব্যবধানে হারিয়েছেন শক্ত প্রতিদন্দ্বি আহাদ চৌধুরী বাবু কে। সাবেক ট্রেনিং এন্ড রিসার্চ সেক্রেটারি ইব্রাহিম খলিলের প্রাপ্ত ভোট ১৫৫, আহাদ চৌধুরী বাবু‘র প্রাপ্ত মোট ভোট ১৫১।

ইনফরমেশন এন্ড টেকনোলজি সেক্রেটারি প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আনোয়ার শাহজাহানকে হারিয়েছেন সালেহ আহমদ। আনোয়ার শাহজাহানের মোট প্রাপ্ত ভোট ১২৮ আর সালেহ আহমদ পেয়েছেন ১৮০ ভোট। সালেহ আহমদ ইনফরমেশন এন্ড টেকনোলজি সেক্রেটারি পদে পুন:নির্বাচিত হলেন।

ইভেন্টস এন্ড ফেসিলিটিজ সেক্রেটারি পদে আজহার ভুঁইয়াকে হারিয়েছেন রেজাউল করিম মৃধা। আজহার ভুঁইয়ার মোট প্রাপ্ত ভোট ১৩৫ আর রেজাউল করিম মৃধা পেয়েছেন ১৭১।

নির্বাহী সদস্য পদে মোট ৬টি পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন মোট ১১ জন প্রার্থী। মোট ৬জন বিজয়ীর মধ্যে ৩ জন নারী বিজয়ী হয়েছেন। বিজয়ী প্রার্থীরা হলেন- আব্দুল কাইয়ুম ১৯১ ভোট, রুপি আমিন ১৬৫ ভোট, মো. এমরান আহমদ ১৫৭ ভোট, পলি রহমান ১৫৭ ভোট, নাজমুল হোসেইন ১৫৬ ভোট, এবং শাহনাজ সুলতানা ১৪৭ ভোট।
নব-নির্বাচিত সভাপতি,সাধারণ সম্পাদক সহ কমিটিকে বিয়ানীবাজার পৌরসভার পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান লন্ডন সফররত পৌর মেয়র আব্দুস শুকুর,জালালাবাদ এসোসিয়েশন এর সভাপতি মুহিবুর রহমান মুহিব,বাংলাদেশ সেন্টার লন্ডন এর সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন,বিয়ানীবাজার থানা জনকল্যাণ সমিতি ইউকে’র সাধারণ সম্পাদক এম মাসুদ আহমদ,সাংবাদিক আলী আহমদ বেবুল,বিয়ানীবাজার ওয়েলফেয়ার ট্রাষ্টের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আহমদ, জালালাবাদ এসোসিয়েশন এর সাংগঠনিক সম্পাদক জুবের আহমদ,দিলাল আহমদ প্রমুখ।

 

রিপ্লাই করুন

অনুগ্রহ করে আপনার মন্তব্য লিখুন
অনুগ্রহ করে আপনার নাম লিখুন