নীড়পাতা ফিচারড শপথ নিলেন নতুন এমপিরা

শপথ নিলেন নতুন এমপিরা

29
0

সম্ভাবনা ডেস্ক:

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী জনপ্রতিনিধিরা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথগ্রহণ করেছেন। তাদের শপথবাক্য পাঠ করান স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। বেলা ১১টার কিছু সময় পর সংসদ ভবনের সংশ্লিষ্ট কক্ষে এ শপথ অনুষ্ঠান হয়। এর আগেই সেখানে গিয়ে উপস্থিত হন একাদশ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল আওয়ামী লীগপ্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ দলের নেতারা।

নতুন এমপিরা একসঙ্গে সমস্বরে স্পিকারের সঙ্গে শপথবাক্য পাঠ করেন। সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করানোর আগে স্পিকার নিজেই শপথগ্রহণ করেন। বৃহস্পতিবার শপথ নিয়েছেন আওয়ামী লীগ ও মহাজোটের ২৮৮ সংসদ সদস্য। এ ছাড়া স্বতন্ত্র জনপ্রতিনিধিরাও সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন।

এদিকে নির্বাচনে জয়ী হলেও শপথ নেননি বিএনপির নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা। তারা ‘ভোট কারচুপি’ ও ‘অনিয়মের’ প্রতিবাদস্বরূপ সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়ে সরকারের বৈধতা দেয়ার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

তবে সংবিধান অনুযায়ী-সংসদ অধিবেশন শুরুর ৯০ দিনের মধ্যে তাদের শপথ নিতে হবে, তা না হলে তাদের সদস্যপদ বাতিল হয়ে যাবে। নতুন জনপ্রতিনিধিদের শপথ সামনে রেখে মঙ্গলবার নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নামে গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন।

ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথের প্রস্তুতি নিতে সংসদ সচিবালয়কে চিঠি দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ হবে।

বর্তমান স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী একাদশ সংসদ নির্বাচনে এমপি নির্বাচিত হওয়ায় তিনি আগে শপথগ্রহণ করেন। পরে স্পিকার হিসেবে তিনি নির্বাচিত অন্য সদস্যদের শপথ পড়ান।

সংবিধান অনুযায়ী-স্পিকার নিজেই নিজের শপথ পড়ান। শপথ শেষে চা বিরতি শুরু হয়ে গেছে। এর পর সরকার ও বিরোধী দলের সদস্যরা বৈঠক করে নিজেদের সংসদ নেতা নির্বাচন করবেন।

নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নামে গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে সরকারিভাবে ফল ঘোষণা করা হয় মঙ্গলবার। গেজেট প্রকাশের দিন থেকে এক মাসের মধ্যে সংসদের প্রথম অধিবেশন বসবে। আগামী ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত দশম সংসদের মেয়াদ আছে।

৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট ২৮৮ আসনে জয়লাভ করে। আর জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ৭টি আসনে জয়ী হয়। মঙ্গলবার ২৯৮ সংসদ সদস্যের নামে গেজেট জারি করা হয়।

বাকি দুটির মধ্যে গাইবান্ধা-৩ আসনে একজন প্রার্থী মারা যাওয়ায় সেখানে নির্বাচন হয়নি। এ ছাড়া ব্রাক্ষণবাড়িয়া-২ আসনের তিনটি কেন্দ্রে পুনর্র্নিবাচন করতে হবে বলে সেখানে ফল স্থগিত রয়েছে।

রিপ্লাই করুন

অনুগ্রহ করে আপনার মন্তব্য লিখুন
অনুগ্রহ করে আপনার নাম লিখুন