নীড়পাতা প্রবাসের সেতুবন্ধন সময় চলে গেলো- আরো অনেক কথা রয়ে গেলো- বিদায়ের বাণী চলে আসলো...

সময় চলে গেলো- আরো অনেক কথা রয়ে গেলো- বিদায়ের বাণী চলে আসলো – মোঃ লুৎফুর রহমান

সময় চলে গেলো –
আরো অনেক কথা রয়ে গেলো –
বিদায়ের বাণী চলে আসলো ।

বিয়ানি বাজার সরকারি কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিন্সীপাল
দারকেশ স্যারের বিদায় উপলক্ষ্যে প্রবাসী স্যারের সাবেক ছাএছাএী
দের পক্ষ্য থেকে সমবেদনা এবং কূতজ্ঞতা।

তিন অক্ষরের ছোট্ট একটি শব্দ-বিদায়। মাত্র তিন অক্ষর। কিন্তু শব্দটির আপাদমস্তক বিষাদে ভরা। শব্দটা কানে আসতেই মনটা কেন যেন বিষণ্ণ হয়ে ওঠে। এমন কেন হয়? কারণ এই যে,বিদায় হচ্ছে বিচ্ছেদ। আর প্রত্যেক বিচ্ছেদের মাঝেই নিহিত থাকে নীল কষ্ট। বিদায় জীবনে শুধু একবারই নয়, এক জীবনে মানুষকে সম্মুখীন হতে হয় একাধিক বিদায়ের। সে-ই যে জন্ম লগ্ন থেকে বিদায়ের সূচনা, তারপর জীবন পথের বাঁকে বাঁকে আরো কত বিদায় যে অনিবার্য হয়ে আসে…।

দারকেশ স্যারের বিদায় অন্যান্য স্যারের বিদায় থেকে একটু ব্যতিক্রম
কারন স্যার এক সময় এই কলেজের ছাএ ছিলেন,তারপর প্রফেসার,
শেযে প্রিন্সীপাল হিসাবে বিদায়।স্যারের জন্য বিরাট বেদনা দায়ক।
ছাএ জীবন,দীর্ঘ কর্ম জীবন একই স্হানে ,হাজারো স্মূতি স্যারের
নিজের অজান্তে স্যার কে হাসাবে,,আবার হাজারো স্মূতি স্যার কে নিজের অজান্তে নীয়ে যাবে ভাবনার দেশে।

আজ এ বেলায় এসে বলবো আমরা আপনার ছাএ ছিলাম ,আমরা
বুঝতে শিখেছি , এ টুকু বুঝি যে স্যার এবং ছাএছাএীদের মধুর সম্পর্ক আজীবন।আমরা অনেকেই স্যার হয়েছি,অনেকেই নানান
ধরনের পেশা বেঁচে নিয়েছি সাফল্যের সাথে জীবন পরিচালনা করতেছি । আর কিছু করতে না পারলে ও আমরা অনেকে আজ ছেলে
মেয়ের ,পিতা মাতা, বা বাবা” হয়েছি।

স্যার আপনার আগামি অবসর জীবন যেন সুখি সমৃদ্ধ হয়,আপনার
দীর্ঘায়ু সুস্ততা কামনা করি।আপনার পরিবারের সাফল্য কামনা করি। পরিশেষে আমাদের ছাএ জীবন থেকে আজ অব্দি যত ভূল,ক্রটি হয়েছে জুড় হাতে ক্ষমা চাই,স্যার আমাদের দয়া করে ক্ষমা করে দিবেন।
আপনার ছাএছাএী যুক্তরাজ্য প্রবাসীদের পক্ষ্যে
মো: লুৎফুর রহমান,লন্ডন।

রিপ্লাই করুন

অনুগ্রহ করে আপনার মন্তব্য লিখুন
অনুগ্রহ করে আপনার নাম লিখুন